বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য স্কলারশিপ কিভাবে পাওয়া যাবে এ নিয়ে প্রচুর লেখালেখি থাকলেও এখানে যে বিষয়টি নিয়ে আজ লিখছি সেটি হয়ত কিছুটা অতিরিক্ত, কিন্তু অত্যাবশ্যকীয় বিষয়াবলী এবং এগুলো কারো আয়ত্তে থাকলে ভিনদেশে তার উচ্চশিক্ষা এবং জীবনযাপন অনেকটাই ডালভাত হয়ে যাবে এবং রীতিমত উপভোগ করতে পারবে। এটি অবশ্যই সঠিক যে উন্নত বিশ্বে উচ্চশিক্ষা (মাস্টার্স এবং পিএইচডি, তবে বিশেষ করে পিএইচডি) সম্পন্ন করা দেশের থেকে অনেক চ্যালেঞ্জিং এবং ‘সম্ভবত’ খুব কঠিন। আমি ‘সম্ভবত’ শব্দটি ব্যবহার করেছি কারণ এই কঠিনতার বিষয়টি নির্ভর করবে আপনার নিজস্ব গুণাবলী এবং দক্ষতার উপর। আমি বাংলাদেশে প্রায় সকলের মুখেই শুনেছি যে (যারা দেশের বাইরে ডিগ্রী নিয়েছেন) যে বাইরে ডিগ্রী করা খুব কঠিন। আমার নিজস্ব কিছু পর্যবেক্ষণ আছে এবং আমার মনে হয় এসকল বিষয় আয়ত্তে থাকলে কারো জন্যই বাইরে ডিগ্রী করাটা তেমন কঠিন কিছু না, অন্তত আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতায় তা মনে হয় নি।
Showing posts with label ঘুরে বেড়ানো. Show all posts
Showing posts with label ঘুরে বেড়ানো. Show all posts
ওয়ার্ক শ্যাডোয়িং
ডায়েরী লেখা আমার ছেলেবেলার অভ্যাস! স্কুলে থাকাকালীন সময় থেকেই লিখি, যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পর প্রথম কিছুদিন লিখলেও পরে বাদ দিয়ে দিয়েছিলাম কিছু কারনে। ইংল্যাণ্ডে আসার পর থেকে ‘বিলেতের ডায়েরী’ নামে আবার লেখা শুরু করেছি! উদ্দেশ্য বেঁচে থাকলে শেষ জীবনে গিয়ে জীবনের ফেলে আসাদিনগুলো একটু স্মরণ করব! বর্তমানে আমার ডায়েরী লেখার ধরন একটু আলাদা, আমি কাগজে কলমে লিখি না, লিখি কম্পিউটারে! যদিও আমার ব্যক্তিগত, তবুও আজকের ডায়েরীর পাতাটি পোষ্ট করলাম এখানে! অনেকে আমার লেখায় মনক্ষুন্ন হতে পারেন কিন্তু এটাই বাস্তবতা...
৫ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার; ডারহাম, যুক্তরাজ্য
আজ ঘুম থেকে উঠতে একটু বেশীই দেরী হয়ে গিয়েছিল। ল্যাবে যাব কি যাব না ঠিক মনস্থির করতে পারছিলাম না তারপর হঠাৎ মনে হল যে এখন যে এনালাইসিস করছি তার জন্য কম্পিউটারের দুটি মনিটর হলে কাজে খুব সুবিধে হবে, সুতরাং সকালের ও দুপুরের খাবার তৈরি করে ক্যাম্পাসে চলে আসলাম। আজ দেখছি আমাদের গ্রুপের কেউই আসেনি ল্যাবে। খুবই স্বাভাবিক, আমিই বোধহয় সবচেয়ে বেশী অনুপস্থিত থাকি ল্যাবে!
পাহাড় ঘেরা হ্রদের শহর রাঙ্গামাটি
![]() |
| পাহাড় পানির রাঙ্গামাটি... |
চিরস্বাধীন রাজ্যে (ত্রিপুরা) কয়েকদিন
![]() |
| উজ্জয়ন্ত প্যালেস, আগরতলা |
প্রাচ্যের স্কটল্যাণ্ড: শিলং
![]() |
| শিলং শহরের একাংশ |
রোড টু ডারহাম, ০৩: অবশেষে ডারহাম!
বিদেশে আসার পূর্বে মাথায় যে কত কিছু ঘুরপাক খাচ্ছিলো তার হিসেব নেই। এয়ারপোর্টে যেয়ে কি কি করতে হবে, ট্রেনে কিভাবে একা এতগুলো (এবং বড়) ব্যাগ-বোচকা নিয়ে উঠব, লোকজন কেমন হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে সবচেয়ে বড় দুঃচিন্তা ছিল কোথায় থাকবো! কারন যখন আমি প্লেনে উঠি তখনও আমার থাকার জায়গা ঠিক হয়নি! এর আগে বিদেশে বলতে শুধু ভারতে (অনেকের মতে এটি তো বিদেশ না কারন আমাদের দেশের সাথে এর তেমন কোন পার্থক্যই নেই) গিয়েছি, তাও আবার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক এবং অন্যতম শিক্ষাগুরু আখতার স্যারের সাথে, সুতরাং আমাকে কোন চিন্তাই করতে হয়নি। এবার পরিস্থিতি পুরো বিপরীত। কমনওয়েলথকে অনুরোধ করেছিলাম যে আমাকে ম্যানচেস্টারের বিমানের টিকিট না দিয়ে লন্ডনের টিকিট দিতে তাতে তাদেরও খরচ কম হত আর আমিও বিমানবন্দরে নেমে আমার আত্মীয়-স্বজন কারো দেখা পেতাম! সেটি নাকি তাদের পলিসি সমর্থন করে না! অতঃপর অনুরোধ করলাম বিমানের টিকিট নিউক্যাসল-এ দেবার জন্য কারন আমার গন্তব্য ডারহাম এর খুবই কাছের শহর এটি। ভাগ্য এবারও সহায় হলো না- তারা আমাকে প্রথম দিনই ট্রেনযাত্রা করিয়েই ছাড়বে!
পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের বাড়ি, অম্বিকাপুর (ফরিদপুর)
অম্বিকাপুর, ফরিদপুর জেলার সদর উপজেলার একটি গ্রাম যেখানে পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের বেড়ে ওঠা। আজও তার বাবা-দাদার ভিটায় রয়েছে তাদের পৈত্রিক বাড়ি যেখানে প্রতিদিনই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মানুষ ঘুরে যাচ্ছেন। ফদিরপুর শহর হতে মাত্র ১০ টাকায় ব্যাটারী-চালিত অটোতে যাওয়া যায় অম্বিকাপুর। সেখানে পৌঁছে রাস্তা থেকেই দেখা যাবে পারিবারিক সমাধিস্থল, যেখানে অন্তিম শয্যায় শায়িত আছে পল্লীকবি ও তার পরিবারের অনেকে। ৫ টাকার বিনিময়ে টিকিট কেটে যে কেউ দেখতে পারেন তার কবির পৈত্রিক বসতভিটা।
কিসমত মারিয়া মসজিদ, রাজশাহী
The Kismat Maria mosque (কিসমত মারিয়া মসজিদ) is one of the
ancient heritages of Rajshahi district. This heritage is located at village Maria
under Durgapur Upazila (sub district). It is a small mosque of rectangular
shape. There are three entrances to the mosque and with three mihrabs, built directly
above each entrance.
বিদিরকা মসজিদ, রাজশাহী
রাজশাহী জেলার মোহনপুর উপজেলার কেশনহাট পৌরসভার বিদিরকা গ্রামে অবস্থতি এই মসজিদটি সত্যিই অবাক করার মতো। মসজিদটির কোন প্রচলিত নাম নেই এবং আশেপাশের এলাকার মানুষজনও এর ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞাত। ফসলের জমির মধ্যে একটি তুলনামূলক উচু স্থানে অবস্থিত এই প্রাচীন মসজিদটি প্রায় ১.৫ শতক জমির উপরে নির্মিত। এখনও এই মসজিদে নিয়মিত নামাজ পড়া হয়!
রামসাগর, দিনাজপুর
Ramsagar is situated in the village Tejpur which is
about 8 kilometers south of the Dinajpur town. Barind tract formed on
the old alluvium of Pleistocene period by new alluvial deposit of Tista
silt and the Gangetic alluvium is rich in archaeological specimen. In
this tract Ramsagar is a splendid excavation of Raja Ramnath. Though
not a sea- for its overwhelming dimension, tranquility and scenic
beauty it recalls that vision. Soon after partition in 1947 AD it was
visualized in all sections of people as a place to watch and enjoy.
Visitation was intensified. Surrounding areas still remained as
depiction of desert. Conversion it into green image-along with water
body gave rise to panoramic view. As a step ahead towards nature and
solitude the area was declared as Rasagar National Park on April 30,
2001.
সোনা মসজিদ, চাঁপাই নবাবগঞ্জ
Choto Sona Mosjid (Small Golden Mosque) is located
in Shibganj Upazila under Chapai Nawabganj district. This historical
mosque was built by Wali Muhammad during the reign of Sultan Husain Shah
(1493-1519). According to local legend, this mosque was once richly
decorated with gilding and gold paint in the tile decoration.
দিনাজপুর রাজবাড়ি, দিনাজপুর
Dinajpur Rajbari is situated on the north-east
portion of Dinajpur town which is originally enclosed with defensive
moats and high rampart. This main Mohal and enclosing moat of Rajbari
were constructed by Maharaja Prannath and his adopted son Ramnath in
the 18th century. This was built in the mixture of European, Muslim and
Hindu styles. Two parallel moats called Ramdanga surrounded the palace
on all sides. All the building are occupying 16.41 acres of land.
পাহাড়পুর, নওগাঁ
মহীয়সী রোকেয়ার পৈত্রিক বাসস্থান, পায়রাবন্দ
![]() |
| মহীয়সী রোকেয়ার পৈত্রিক বাসস্থানের অবশিষ্টাংশের সামনে |
বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত রোকেয়া খাতুন (বেগম রোকেয়া)-এর পৈত্রিক বাড়ি এই
পায়রাবন্দ। রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ একটি ইউনিয়ন। রংপুর সদর হতে
খুব সহজেই রিকসা বা ব্যাটারী চালিত অটোতে এখানে ঘুরে আসা যায়। যারা কোন কাজে
নিজস্ব পরিবহনে রংপুর যাচ্ছেন বা রংপুর হতে গাইবান্ধা-বগুড়া রোডে ফিরে আসছেন, তারা
ইচ্ছে করলেই এই বিখ্যাত স্থানটি ঘুরে আসতে পারে মাত্র ১৫-২০ মিনিটে।
বাঘা মসজিদ, রাজশাহী
রাজশাহী
জেলা সদর হতে প্রায় ২৫ মাইল দক্ষিণপূর্বে বাঘা উপজেলায় একটি বড় দীঘীর পাশে
এই মসজিদটি অবস্থিত। বাংলাদেশে মুসলিম স্থাপত্যের একটি অপূর্ব নিদর্শন এই
মসজিদটি। মসজিদটি আকার দৈর্ঘ্য ২২.৯২ মিটার এবং প্রস্থ ১২.১৮ মিটার।
দেয়ালটি ২.২২ মিটার পুরু। মসজিদটিতে ১০টি গম্বুজ এবং এর পূর্ব পার্শ্বে ৫টি
প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের
দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা বর্তমান।
Subscribe to:
Posts (Atom)
















